শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি | ভ্রমণকাল

শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি

sreefaltali-zamindar-bari-gazipur
শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর শ্রীফলতলী গ্রামে অবস্থিত এবং স্থানীয় উচ্চারণে হয়ে গেছে ছিবলতলী। শ্রীফলতলী জমিদার এস্টেট প্রতিষ্ঠিত হয় বিখ্যাত তালিবাবাদ পরগণার নয় আনা অংশের মালিকানা নিয়ে। এই এস্টেটের প্রধান কর্ণধার খোদা নেওয়াজ খানের কনিষ্ঠ পুত্র রহিম নেওয়াজ খান চৌধুরী’র হাত ধরে এই শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ীর গোড়াপত্তন ঘটে। জমিদারি পরিচালনার সময় তিনি তার নিজস্ব কাচারিবাড়ির পাশাপাশি আধারিয়া বাড়ির বাগান বাড়িকে অফিস হিসেবে ব্যবহার করতেন। তার জমিদারির পরিধি ময়মনসিংহ, নরসিংদী ও সাটুরিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। তাঁর অসাধারণ প্রচেষ্টার কারণে প্রায় ১০০ বছর আগে তালেবানবাদ পরগণা সাভার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে "কালিয়াকৈর" নামে একটি নতুন থানা নামে পরিচিত হয়েছিল।

অন্যান্য জমিদার বাড়ির মতো এরও দুই তরফ। বড় তরফে অনুমতি ছাড়া আপনি প্রবেশ ও ঘুরে দেখতে পারবেন। ছোট তরফে জমিদারের উত্তরাধিকারীরা এখনো বাস করে এবং শুটিং স্পট হিসেবেও ভাড়া দেয়। তবে সেখানে প্রবেশ করা যাবে অনুমতি সাপেক্ষে। বড় তরফ ও ছোট তরফ এর মাঝে জমিদারবাড়ির মসজিদ যা সময়ের চাহিদায় বর্ধিত করা হয়েছে। প্রবেশ করলে বড় তরফের ডান পাশে আরেকটি ছোট তরফ চোখে পড়বে। বাহির থেকে ঘুরে দেখতে পারবেন, জমিদার বাড়ির সব দরজাই তালাবদ্ধ। বড় তরফের পিছনের অংশে কিছু পরিবার বাস করে।

শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি কিভাবে যাবেন

ঢাকা হতে রাজধানী পরিবহণের বাস এয়ারপোর্ট এবং উত্তরা হয়ে কালিয়াকৈর যায়। রাজধানী পরিবহণের বাসে শ্রীফলতলী মোড়ে নামতে পারবেন। শ্রীফলতলী মোড় হতে মাত্র ৫-৬ মিনিট হাঁটলেই জমিদার বাড়ি পৌঁছে যাবেন।

গাবতলী বাস টার্মিনাল হতে মৌমিতা, ইতিহাস ও ঠিকানা পরিবহণের বাস গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত চলাচল করে। চন্দ্রা থেকে কালিয়াকৈর বাস স্ট্যান্ড এসে সেখান থেকে রিক্সা নিয়ে শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

রাত্রিযাপনের জন্য গাজীপুরে বেশকিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। হ্যাপি ডে ইন, নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট, নন্দন ভিলেজ, হলিডে এক্স ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

আরো দেখুন

গাজীপুর এর দর্শনীয় স্থান - নুহাশ পল্লী, বঙ্গবন্ধ সাফারী পার্ক
দৃষ্টি আকর্ষণ: আমাদের পর্যটন স্পট গুলো আমাদের দেশের পরিচয় বহন করে এবং এইসব পর্যটন স্পট গুলো আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন। আর ভ্রমনে গেলে কোথাও ময়লা ফেলবেন না। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
 আমাদের টিম সবসময় চেষ্টা করে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা বানান ভুল হয়ে থাকে বা ভ্রমণ স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে অথবা আপনার কোন ভ্রমণ গল্প আমাদের সাথে শেয়ার করতে চান তাহলে Comments করে জানান অথবা আমাদের কে ''আপনার মতামত'' পেজ থেকে মেইল করুন।